imei চেক

imei চেক করে জেনে নিন ফোনটি আসল নাকি নকল

টিপস এবং ট্রিকস তথ্য প্রযুক্তি
নতুন হোক বা পুরাতন যেকোন ধরনের হ্যান্ডসেট কেনার পূর্বে অবশ্যই সেই হ্যান্ডসেটের imei চেক করে সেটি বৈধ কি না তা নিশ্চিত হয়ে কেনা উচিত।নতুবা হুটহাট যেকোন ঝামেলায় ফেসে যেতে পারেন।

 

কর ফাকি রোধ কল্পে এবং চোরাই মোবাইল ফোনের ব্যবহার বন্ধ করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন দেশে উৎপাদিত এবং বৈধ ভাবে আমদানিকৃত হ্যান্ডসেট গুলোর একটি ডাটাবেজ তৈরি করেছে।

imei চেক

এই ডাটাবেজে প্রত্যেক বৈধ হ্যান্ডসেটের imei নাম্বার সংরক্ষিত আছে।এখান থেকেই একটি মাত্র এসএমএসের মাধ্যমে আপনি জেনে নিতে পারবেন আপনার সদ্য কেনা হ্যান্ডসেটটি বৈধ কিনা।

কোন মোবাইল ফোন বৈধ আর কোনটি অবৈধ তা কিভাবে বুঝবো?

দেশে উৎপাদিত বা বিদেশ থেকে আমদানিকৃত হ্যান্ডসেটগুলো যদি সরকারের যথাযথ কর পরিশোধ করে তাহলে কর পরিশোধিত মোবাইল গুলোর imei নাম্বার গুলো বিটিআরসির ডাটাবেজে সংরক্ষিত থাকবে।শুধুমাত্র সেই হ্যান্ডসেটগুলো বৈধ বা অফিসিয়াল হিসাবে গন্য হবে।এ ধরনের হ্যান্ডসেট ব্যবহারে কোন বাধা নেই।

imei চেক

আর যে মোবাইল গুলো কর ফাকি দিয়ে অবৈধ উপায়ে বিক্রি করার চেষ্টা করা হয়,অর্থাৎ বিটিআরসির ডাটাবেজে অন্তর্ভুক্ত নাই এমন যে কোন হ্যান্ডসেট অবৈধ বা আনঅফিসিয়াল বলে বিবেচিত হবে।এধরনের ফোনের imei নাম্বার গুলো ব্লক করে রাখা হবে ফলে টাকা দিয়ে কিনলেও এই মোবাইল ফোন গুলো ব্যবহার উপযোগী থাকবে না।

imei চেক করে মোবাইলের বৈধতা যাচাইয়ের উপায়ঃ-

বিটিআরসির সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০২১ সালের পর ডাটাবেজে অন্তর্ভুক্ত নেই এমন সকল মোবাইল ফোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে যাবে।সুতরাং নতুন ফোন কেনার পূর্বে অবশ্যই সেই ফোনের imei চেক করার মাধ্যমে নিশ্চিত হয়ে নিবেন যে আসলেই হ্যান্ডসেটটি বৈধ কি না।
এটা নিশ্চিত হওয়ার জন্য আপনাকে সঠিকভাবে কিছু পদক্ষেপ অনুসরন করতে হবে।তাহলে আসুন জেনে নেওয়া যাক কিভাবে imei চেক করে মোবাইলের বৈধতা যাচাই করা যায়।

imei চেক করার প্রক্রিয়াঃ-

হ্যান্ডসেট যেমনই হোক প্রত্যেকটি হ্যান্ডসেটের একটি ইউনিক imei নাম্বার থাকে।যেটি সেই হ্যান্ডসেটের পরিচয় বহন করে।সেই হ্যান্ডসেটের imei নাম্বার জানার অনেক গুলো উপায় থাকে।সব থেকে সহজ উপায় গুলোর মধ্যে একটি হলো মোবাইলের ব্যাটারির নীচে অবস্থিত কোম্পানী প্রদত্ত লেবেল।

imei চেক

এখানে স্পষ্ট অক্ষরে ফোনের imei নাম্বারটি দেওয়া থাকে ।১৫ সংখ্যার নাম্বারটি হচ্ছে আপনার ফোনের imei নাম্বার।
আরেকটি সহজ উপায় হলো আপনি যে ফোনের imei নাম্বার জানতে চাচ্ছেন সেই ফোন থেকে ডায়াল করুন *#06# কিছু ক্ষনের মধ্যেই ফোনের স্ক্রীনে ১৫ সংখ্যার আইএমইআই নাম্বারটি দেখা যাবে।
এবার আপনি আপনার ফোন থেকে প্রাপ্ত imei নাম্বারটি একটি কাগজে লিখে রাখুন।আপনার হ্যান্ডসেটটি বৈধ কি না তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য এবার আপনার ফোনের ম্যাসেজ অপশানে যান,নিউ ম্যাসেজ এ গিয়ে ইংরেজীতে বড় হাতের অক্ষরে টাইপ করুন KYD একটি স্পেস দিয়ে লিখুন আপনার ফোনের আইএমইআই কোডটি,অর্থাত KYD <> imei code (উদাহরনসরুপ- KYD 354692041495975 ) এবার ম্যাসেজটি 16002 নাম্বারে পাঠিয়ে দিন।

imei চেক পদ্ধতি

কিছুক্ষন পরেই ফিরতি এসএমএসে আপনি জানতে পারবেন এই হ্যান্ডসেটটি বিটিআরসির ডাটাবেজে অন্তর্ভুক্ত আছে কি না।
যদি থাকে তাহলে মোবাইল ফোনটি বৈধ আর যদি না থাকে তাহলে নিশ্চিতভাবেই সেই মোবাইল ফোনটি অবইধ।আপনি টাকা দিয়ে কিনেও সেই মোবাইল ফোন খানা ব্যবহার করতে পারবেন না।

পরিশেষেঃ-

মোবাইল ফোন গুলো হয় মানুষের শখের বস্তু।কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে শখের মোবাইল ফোন কিনতে গিয়ে বিপত্তিতে পড়তে হয়। তাই মোবাইল ফোন কেনার পূর্বে অবশ্যই সেই ফোনের imei চেক করে নিশ্চিত হয়ে নিবেন যে,ফোনটি বৈধ কি না।

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *