ঔযধের জেনেরিক নাম ও কাজ

ঔযধের জেনেরিক নাম ও কাজ এবং ব্র্যান্ড নামসহ বিস্তারিত

স্বাস্থ্য স্বাস্থ্য প্রযুক্তি
আমরা যেটাকে ঔষধের গ্রুপ বলে জানি, চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় সেটা হলো জেনেরিক নাম।ঔষধের জেনেরিক নাম ও কাজ সম্পর্কে সম্যক ধারনা দিতেই আজকের লেখা।

 

কয়েকটি ঔষধ সবসময় ঘরে রাখলে জরুরী প্রয়োজনে জীবন বাঁচাতে সাহায্যে করে,

ঔষধের জেনেরিক এবং ব্র্যান্ড নামের মধ্যে পার্থক্য

কোম্পানিগত ভাবে ব্র্যান্ড নাম বা মার্কা নাম ভিন্ন হলেও জেনেরিক নাম থেকে বোঝা যায় ঔষধটি কোন ধরনের, এর কার্যকর উপাদান ও কোন রোগের জন্য নির্দেশিত। এর ফলে জেনেরিক দেখেই ঔষধকে বিশ্বব্যাপি একইরুপে চেনা যায়।

ঔষধের জেনেরিক নাম ও কাজ

ধরুন বাংলাদেশের স্কয়ার ফার্মার তৈরি এজিথ্রোমাইসিন/Azithromycin এর নাম হলো জিম্যাক্স/Zimax।আবার রেডিয়্যান্ট কোম্পানীর একই উপাদানে তৈরি ঔষধের নাম হলো একোজ/Acos,এখানে ঔষধটির জেনেরিক নাম হচ্ছে এজিথ্রোমাইসিন/Azithromycin, জিম্যাক্স/Zimax  বা একোজ/Acos হলো ব্র্যান্ড নাম।
ওটিসি ওষুধ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াই খাওয়া যায়,জেনে নিন কোন গুলো
একই ভাবে ভিন্ন ভিন্ন কোম্পানীর তৈরি এজিথ্রোমাইসিন/Azithromycin আলাদা নামে বা আলাদা ব্র্যান্ডে মার্কেটে এসেছে।এটাই হলো জেনেরিক আর ব্র্যান্ড নামের মধ্যে পার্থক্য।
আমাদের দেশের ডাক্তারগন প্রেসক্রিপশনে ঔষুধের ব্র্যান্ড নাম লিখলেও বিশ্বের বেশীরভাগ দেশের ডাক্তারগন প্রেসক্রিপশনে ঔষুধের জেনেরিক নাম লিখে থাকে।

ঔষধের জেনেরিক নাম ও কাজ

জেনেরিক নাম লেখার সুবিধা হলো রোগী তার ইচ্ছা মতো যেকোন ব্র্যান্ডের ঔষুধ কিনে খেতে পারে।
মুলত বাণিজ্যিক দিক বিবেচনা করেই আমাদের দেশে ডাক্তারগন প্রেসক্রিপশনে ঔষুধের জেনেরিক নাম না লিখে সরাসরি ব্র্যান্ড নাম লিখে থাকে।
অবশ্য ইদানিং এটা নিয়ে চিন্তাশীলরা খানিকটা সরব হয়ে উঠেছেন।তাদের দাবী প্রেসক্রিপশনে ব্র্যান্ড নাম নয় জেনেরিক নাম লিখতে হবে।সময়ের প্রেক্ষাপটে যা অত্যন্ত যৌক্তিক দাবী।

 

চিকিৎসা বিজ্ঞান অনুযায়ী ঔষুধের মুল উপাদান অর্থাৎ জেনেরিক ঠিক থাকলে যে কোন ব্যান্ডের ঔষুধ একই কাজ করবে।
তাই সময়ের দাবী ব্র্যান্ড নাম লিখে রোগীকে কোন নির্দিষ্ট কোম্পানীর নিকট জিম্মি না করে প্রেসক্রিপশনে ঔষুধের জেনেরিক নাম লিখতে হবে।
যাতে সাধারন মানুষ চিকিৎসা বিজ্ঞানের মূল অবদান গুলোর সম্পূর্ন সুবিধা ভোগ করতে পারে।এজন্য ঔযধের জেনেরিক নাম ও কাজ সম্পর্কে সকলের কমবেশি ধারনা থাকা প্রয়োজন।
আজকের পোষ্টে আমরা  একই জেনেরিকের বিভিন্ন কোম্পানির তৈরি ঔষুধের নাম, ধরন, প্যাকিং সাইজ এবং প্রতি পিসের দাম জানার চেষ্টা করবো।

ঔযধের জেনেরিক নাম ও কাজ

 

ঔযধের জেনেরিক নাম ও কাজ

জেনেরিক নামঃ এজিথ্রোমাইসিন/Azithromycin
উপাদানঃ এজিথ্রোমাইসিন ইউএসপি
অ্যাজিথ্রোমাইসিন (Azithromycin) একটি অ্যান্টিবায়োটিক শ্রেণীর থেরাপিউটিক ঔষধ।এটি ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ চিকিৎসার জন্য ব্যবহার হয়।১৯৮০ সালের দিকে এই এন্টিবায়োটিক ওষুধটির ব্যবহার শুরু হয়।
এজিথ্রোমাইসিন(Azithromycon) অ্যান্টিবায়োটিকটি ম্যাক্রোলাইড গোত্রের ওষুধ। এটি অনেক ধরনের ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কার্যকরী। বিশেষ করে ফুসফুস, ত্বক, কান ও যৌনঘটিত রোগের সংক্রমনেও ঔষধটি বহুল ব্যবহৃত।

ঔযধের জেনেরিক নাম ও কাজ

এজিথ্রোমাইসিন গ্রুপের কিছু ওষুধের উদাহর্ন হলো জিম্যাক্স, এজিথ, রোজিথ, এজিম্যাক্স, এজিন, এজিসিন, জিথ্রিন, জিথ্রক্স ইত্যাদি।

এজিথ্রোমাইসিন ৫০০ এর কাজ কি

এটি মূলত অনেক ধরনের ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কার্যকরী। যৌনঘটিত রোগের সংক্রমন সহ ফুসফুস, ত্বক, কানের সংক্রমনে এজিথ্রোমাইসিন সফলভাবে কার্যকরী।

 

এজিথ্রোমাইসিন(Azithromycin)

 

জেনেরিক নামঃ ক্লিন্ডামাইসিন/Clindamycin
উপাদানঃ ক্লিন্ডামাইসিন হাইড্রোক্লোরাইড ইউএসপি
ক্লিন্ডামাইসিন(Clindamycin) এক ধরনের লিনকোমাইসিন জাতীয় অর্ধ-সংশ্লেষী (semisynthetic) এন্টিবায়োটিক যা সংবেদনশীল ক্ষুদ্র অরগানিজমের মাধ্যমে সৃষ্ট ইনফেকশনের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। বিভিন্ন বাণিজ্যিক নামে এই ঔষধটি বিক্রি করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে: ক্লিন্ডাসিন,ক্লিমাইসিন,ক্লিনেক্স, ক্লিওসিন,ক্লিনসিন ইত্যাদি।

 

ক্লিন্ডামাইসিন এর কাজ কি

Clindamycin অনেকগুলো ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমন যেমন, নিউমনিয়ার মতো পেলভিক প্রদাহী রোগ, মধ্য কর্ণের সংক্রমন, হাড়ের সংক্রমন এবং এন্ডোকার্ডাইটিসের বিরুদ্ধে দারুনভাবে কার্যকরী।
ক্লিন্ডামাইসিন শুধু ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমনের বিরুদ্ধে কার্যকরী তবে ভাইরাসের বিরুদ্ধে অকার্যকর।

ক্লিন্ডামাইসিন (Clindamycin)

 

জেনেরিক নামঃ সেফিক্সিম/Cefixime
উপাদানঃ এনহাইড্রোয়াস সেফিক্সিম
Cefixime সেফিক্সিম হলো তৃতীয় প্রজন্মের একটি সেফালোসপরিন অ্যান্টিবায়োটিক। এটি একটি বিস্তৃত বর্ণালির অ্যান্টিবায়োটিক যা সাধারণত কান, মূত্রনালি, শ্বসনতন্ত্রের সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা-এর জরুরি ওষুধের তালিকায় স্থান পেয়েছে।
সেফিক্সিম (Cefixime) জেনেরিকের কিছু উদারহন হলো সেফ ৩, ওডাসেফ,ডুরাসেফ,টি সেফ,রফিক্সিম, এফিক্স, বেস্টসেফ, ডেনভার ইত্যাদি।

 

সেফিক্সিম এর কাজ কি

Cefixim যেসব সংক্রমনের চিকিৎসায় ভালো কাজ করে সেগুলো হলো অসম্পূর্ণ মূত্রনালির সংক্রমন,কানের ওটিসিস মিডিয়া, গলার টিনসিলাইটিস ও ফ্যারিনজাইটিস দ্বারা সংক্রমন, দীর্ঘস্থায়ী ব্রংকাইটিস, নিউমোনিয়া, গনোরিয়া, ত্বক ও নরম টিস্যুর সংক্রমনে Cefixim অসাধারণ কাজ করে।

 

সেফিক্সিম (Cefixime)

 

জেনেরিক নামঃ সেফুরক্সিম/Cefuroxime
উপাদানঃ সেফুরক্সিম এক্সেটিল বিপি
সেফুরোক্সিম (Cefuroxim) একটি ২য় প্রজন্মের সেফালোস্পোরিন গ্রুপের বিটা-ল্যাক্টাম অ্যান্টিবায়োটিক।
এটি বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া জাতীয় সংক্রমণ সারানোর জন্য ব্যবহার করা হয়। সেফুরোক্সিম ব্লাড-ব্রেইন-ব্যারিয়ার অতিক্রম করতে পারে যা অন্যান্য সেফালোস্পোরিন পারে না।Cefuroxim জেনেরিকের বিছু বানিজ্যিক প্রোডাক্টের উদাহরন হলো এক্সিসেফ, এক্সিম, সেফোটিল, সেরক্স এ, ফ্যামিসেফ ইত্যাদি।

 

সেফুরক্সিম এর কাজ কি

এটি বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া জাতীয় সংক্রমন এর বিরুদ্ধে কার্যকরী। একমাত্র সেফুরক্সিম ব্লাড ব্রেইন ব্যারিয়ার অতিক্রম করতে পারে যা অন্য সেফালোস্পোরিন পারে না।
সেফুরক্সিম কর্ণ প্রদাহ, মূত্রনালির প্রদাহ, সাইনুসাইটিস, ফ্যারিআটিস, গনোরিয়া এবং ব্রংকাইটিসের সংক্রমনে সচরাচর ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

 

সেফুরক্সিম (Cefuroxim)

 

জেনেরিক নামঃ সেফটিবিউটেন/Ceftibuten
উপাদানঃ সেফটিবিউটেন ডাইহাইড্রেট আইএনএন

সেফটিবুটেন (Ceftibuten) একটি তৃতীয় প্রজন্মের সেফালোস্পোরিন অ্যান্টিবায়োটিক।

এটি একটি মৌখিকভাবে পরিচালিত এজেন্ট, যার দুটি ডোজ ফর্ম, ক্যাপসুল বা ওরাল সাসপেনশন।আলাদা নামে কয়েকটি কোম্পানির সেফটিবিউটেন বাজারে পাওয়া যায়, যেমন, ইনবিউটেন, সেবুটেন, সেফটিবেন, সেফাম্যাক্স ইত্যাদি আরোও অনেক।

 

সেফটিবিউটেন এর কাজ কি

এটি গুরুতর ব্যাকটেরিয়াল সংক্রনের দ্রুত কাজ করে।Ceftibuten সংবেদনশীল ব্যাকটেরিয়া গুলোকে ধ্বংস করে।

 

সেফটিবিউটেন (Ceftibuten)

 

জেনেরিক নামঃ কেটোরোলাক ট্রোমেথামিন/Ketorolac Thrometharmine
উপাদানঃ কেটোরোলাক ট্রোমেথামিন ইউএসপি
কিটোরোলাক ট্রোমিথামিন( Ketorolac) নন-স্টেরয়ডাল অ্যান্টিইনফ্ল্যামাটোরি ড্রাগ(NSAID) যা হেটারোসাইক্লিক অ্যাসেটিক অ্যাসিড থেকে উদ্ভূত।
কেটোরোলাক ব্যথানাশক ওষুধ হিসাবে ব্যবহৃত হয়। সিনটেক্স কর্পোরেশন যা বর্তমানে বায়োসাইন্স নামে পরিচিত প্রথম ১৯৮৯ সালে কেটোরোলাক তৈরি করে। তাদের ব্র‍্যান্ড নাম ছিল টোরাডল।
১৯৯২ সালে আমেরিকার খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন চোখের ড্রপ অনুমোদন করে যা অ্যালারগ্যান কোম্পানি প্রথম তৈরি করে।২০১০ সালের ১৪ই মে কিটোরোলাক নাকের স্প্রে অনুমোদিত হয়।কিটোরোলাক প্রোস্টাগ্লান্ডিন সংশ্লেষণ বন্ধ করে ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।
আমাদের দেশে বহুল ব্যবহৃত কেটোরোলাক জেনেরিকের ওষুধ গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, রোলাক, এনালাক, টোরাক্স, ওরাডল, টোরাডোলিন, টোরাম্যাক্স,জিডোলাক, উইনপ, টোডল,কেটোলাক, জিরোপেইন, একুপেইন ইত্যাদি।

 

কেটোরোলাক এর কাজ কি

ব্যথানাশক হিসাবে কেটোরোলাক ব্যাপক পরিচিত। Ketorolac মাঝারি থেকে গুরুতর ব্যথায় খুব সক্রিয়ভাবে কাজ করে।

কেটোরোলাক (Ketorolac)

 

জেনেরিক নামঃ মন্টিলুকাস্ট/Montelukast
উপাদানঃ মন্টিলুকাস্ট সোডিয়াম ইউএসপি
Montelukast মন্টিলুকাস্ট একটি লিউকোট্রিয়েন রিসেপ্টর অ্যান্টাগনিস্ট (LTRA) যা অ্যাজমা ও অ্যালার্জির চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
এই জেনেরিকের ঔষধ দিনে একবার খাবার আগে বা পরে সেবন করা যায়।বাংলাদেশে প্রচলিত মন্টিলুকাস্ট গুলোর নাম হলো, মোনাস, এরোন, এরোকাস্ট, মনটেয়ার, মনটিন,রিভার্সেয়ার, ট্রাইলক, মনোকাস্ট, মন্টিল্যাব, মনটিনেক্স, জাইফ্লো ইত্যাদি।

 

মন্টিলুকাস্ট এর কাজ কি

এজমা ও এলার্জির চিকিৎসায় মন্টিলুকাস্টের সফল ব্যবহার সর্বজন স্বীকৃত। এজমা, এলার্জিক রাইনাইটিস, আটিকেরিয়া, প্রাইমারী ডিসমেনোরিয়া ইত্যাদি রোগের চিকিৎসায় মন্টিলুকাস্ট সমান কার্যকরী।

 

মন্টিলুকাস্ট (Montelukast)

 

ঔষধের নাম ও কাজ জানার এন্ড্রোয়েড এপস apk

সঠিকভাবে ঔযধের জেনেরিক নাম ও কাজ ,ডোজ,প্যাকিং সাইজ এবং মূল্য জানার জন্য গুগল প্লে ষ্টোর থেকে Dims নামক এন্ড্রোয়েড এপসটি এন্ড্রোয়েড ফোনে ইন্সটল করে ব্যবহার করতে পারেন।

 

প্লে ষ্টোর না থাকলে বা কোন কারনে প্লে ষ্টোর থেকে ইন্সটল করতে না পারলে ঔষধের নাম ও কাজ apk তথা DIMS apk download করে ইন্সটল করে নিতে পারবেন।নতুন ইউজার হলে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। আর আগে থেকে মোবাইল নাম্বার দিয়ে একাউন্ট তৈরি করা থাকলে শুধুমাত্র লগিন করেই DIMS এপসটি ব্যবহার করা যাবে।

 

ঔষধের নাম ও কাজ apk

DIMS এপসটি থেকে বাংলাদেশে প্রচলিত ঔষধ গুলোর বিস্তারিত বিবরন, কাজ, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, ডোজ এবং মূল্য জানতে পারবেন। এছাড়াও এই এপসটির দ্বারা একটি জেনেরিকের সব গুলো ব্র্যান্ড নাম একসাথে দেখতে পাবেন।
DIMS এপসের সার্চ অপশনে Brand, Generic, Indication, Herbal নামের ৪ টি আলাদা ট্যাব দেখতে পাবেন।

ঔষধের নাম ও কাজ apk

Brand সিলেক্ট করে রেখে সার্চ বক্সে কোন ঔষধের নাম লিখে সার্চ দিলে প্রত্যাশিত ঔষধটির বিস্তারিত বিবরন পাওয়া যাবে।এখানেই others brands নামে একটি ট্যাব পাওয়া যাবে।

ঔষধের নাম ও কাজ apk

এখানে ক্লিক করলে ওই জেনেরিকের অন্য সব কোম্পানির ব্র্যান্ড নামগুলো চলে আসবে। Generic ট্যাব সিলেক্ট করে কোন জেনেরিক নামের অদ্যক্ষর লিখতে শুরু করলে ঔষধের অনেক গুলো জেনেরিক নামের তালিকা ভেসে উঠবে। একটি জেনেরিক নাম সিলেক্ট করলে ওই জেনেরিকের সবগুলো ব্র্যান্ড নাম দেখতে পাবেন।

 

শেষকথাঃ-

কোম্পানি বা ব্র্যান্ড যেটাই হোক ঔষুধের জেনেরিক নাম মিল রেখে ঔষুধ সেবন করতে কোন বাধা নেই।সেজন্যেই যদি ঔযধের জেনেরিক নাম ও কাজ এবং জেনেরিকের বিপরীতে ব্র্যান্ড নাম জানা থাকে তাহলে সকলেই উপকৃত হবে।

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published.