করোনা ভাইরাস এর লক্ষণ

করোনা ভাইরাস এর লক্ষণ ও প্রতিকার এবং প্রতিরোধ

স্বাস্থ্য স্বাস্থ্য প্রযুক্তি
সর্দি কাশি,গলা ব্যথা,জ্বর হলেই আমরা নিজেই আতংকিত হয়ে পড়ছি,এই বুঝি করোনা হলো।ভয় না পেয়ে করোনা ভাইরাস এর লক্ষণ গুলো বিশ্লেষন করে বুঝার চেষ্টা করতে হবে যে আসলেই করোনা পজিটিভ হয়েছে না।এক্ষেত্রে নিশ্চিত হওয়ার একমাত্র বিশ্বস্ত উপায় হল করোনা টেষ্ট করা।
আরোও জানতে পড়ুনঃ
করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচার উপায় আছে আপনার হাতেই

 

করোনা ভাইরাস এর লক্ষণ

করোনা ভাইরাস আপডেটঃ

সর্বশেষ করোনা ভাইরাস আপডেট অনুযায়ী (৩১ মে/২০২১) সারাবিশ্বের ২১৩ টি দেশে কোভিড-১৯ ভাইরাসে মৃত্যুর সংখ্যা ৩৫ লাখ ৪০ হাজারেরও বেশী, আক্রান্ত প্রায় ১৭ কোটির বেশী মানুষ।অসংখ্যা মানুষ ভাইরাস থেকে মুক্ত হলেও সহসাই এই ভাইরাস নির্মূল হওয়ার কোন সম্ভাবনা নাই।বরং দিন যত যাচ্ছে,আক্রান্তের সংখ্যা জ্যামিতিক হারে বেড়েই চলেছে।
বলাই বাহুল্য, সময় এবং অঞ্চলভেদে করোনা ভাইরাস নানারুপে আবির্ভুত হচ্ছে। যার ফলে করোনা ভাইরাস এর লক্ষণ, সংক্রমনের ধরন এবং তীব্রতার মাত্রা রদবদল হয়েই চলেছে। নিত্য নতুন ভেরিয়েন্ট ল্যাবের কর্মীদের দিশেহারা হয়ে পড়ছে।
এমতাবস্থায় সাধারণ মানুষ চরম বিভ্রান্তিতে আছে। তাই করোনা ভাইরাস এর লক্ষণ, প্রতিকার ও প্রতিরোধের সঠিক উপায় জানা দরকার।
করোনা বিষয়ক আপডেট,খবর ও অন্যান্য বিষয়ে জানতে বাংলাদেশ সরকারের সাইটটি ভিজিট করতে পারেন।
এমতাবস্থায় যেকেউ আতঙ্কিত হয়ে পড়বে, এটাই স্বাভাবিক।করোনা ভাইরাস এর মহামারী রুপের ভয়াবহতা খুবই মারাত্মক এতে কোন সন্দেহ নেই।তবে,এখান থেকে এক ধরনের অতিরঞ্জিত নেতিকথা বা গুজব সৃষ্টি হচ্ছে, যার ভয়াবহতা করোনা ভাইরাসের থেকেও কম নয়।

করোনা ভাইরাস এর লক্ষণ

কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে গুুজব ও আতঙ্ক আরেকটি মহামারী হিসাবে আবির্ভূত হচ্ছে। যা সত্যিই অনেক চিন্তার বিষয়।মোদ্দা কথা, গুজবে কান না দিয়ে সাধারন স্বাস্থ্যবিধি মেনে সাবধানতা অবলম্বন করাটা বেশী জরুরী।
আরোও পড়ুনঃ-
কিছু জরুরী ওষুধ যা সবসময় ঘরে রাখা উচিত

করোনা ভাইরাস এর লক্ষণ সমূহঃ-

রেপিসিটরি ছাড়াও জ্বর,শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যাই হলো করোনা ভাইরাস এর লক্ষণ।আলাদা আর বিশেষ কোন লক্ষন নেই যা দেখে নিশ্চিত হওয়া যায়।আবার জ্বর বা শ্বাস কস্ট হলেই যে সেটা করোনার উপসর্গ সেটাও নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।আক্রান্ত হওয়ার পর করোনার উপসর্গ সাধারণ সর্দিজ্বর এবং ফ্লু’য়ের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হওয়ায় রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে দ্বিধাগ্রস্থ হওয়া স্বাভাবিক।
১০০ ডিগ্রির উপরে জ্বর, সর্দ্বি, হাঁচি,শ্বাসকষ্ট,গলা ব্যথা,মাংসপেশীর ব্যথা, নিউমোনিয়া, কাশির মাধ্যমে এ রোগের সাধারণ লক্ষন গুলো প্রকাশ পায়। পরবর্তীতে এটা সরাসরি মানুষের ফুসফুস কে আক্রমন করে।
কোন বয়সের মানুষের উপর এর বেশী প্রভাব সেটা এখন পর্যন্ত পরিস্কার না হলেও শিশু এবং বৃদ্ধ বিশেষ করে পুর্ব থেকে রোগ আক্রান্তদের উপর করোনা ভাইরাসের প্রভাব টা সন্দেহাতীত ভাবেই অনেক বেশী।
আসুন একনজরে মনোযোগ সহকারে করোনা ভাইরাস এর লক্ষণ সমূহ আরো একবার দেখে নেওয়া যাক।

করোনা ভাইরাস এর সাধারন লক্ষণ

  • জ্বর
  • ক্লান্তিভাব
  • শুকনা কাশি

করোনা ভাইরাস এর হালকা সাধারন লক্ষণ

  • ব্যথা ও যন্ত্রণা
  • গলা ব্যথা
  • ডায়রিয়া
  • কনজাংটিভাইটিস
  • মাথা ব্যথা
  • স্বাদ বা গন্ধ না পাওয়া
  • ত্বকে ফুসকুড়ি ওঠা বা আঙুল বা পায়ের পাতা ফ্যাকাসে হয়ে যাওয়া

করোনা ভাইরাস এর অতি গুরুতর লক্ষণ

  • শ্বাস নিতে অসুবিধা বা প্রবল শ্বাসকষ্ট হওয়া
  • বুক ব্যথা বা বুকে চাপ অনুভব করা
  • কথা বলার বা হাঁটাচলার শক্তি হারানো
যেহেতু অঞ্চলভেদে করোনা ভাইরাস এর লক্ষণ আলাদা।অনেক ক্ষেত্রে আক্রান্তের শরিরে কোন উপসর্গ প্রকাশ পাচ্ছে না। সেহেতু লক্ষণ দেখে করোনা শনাক্ত করার ব্যাপারে সাবধান হতে হবে।
করোনা ভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা যেকোন সুস্থ মানুষের করোনা ভাইরাস সংক্রমণের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশী।আশার কথা হলো যে, একজন সুস্থ সবল ব্যক্তির উপর করোনার প্রভাব খুব একটা মারাত্মক হবে না যদি আক্রান্ত ব্যক্তি সাবধানতা অবলম্বন করে সাধারণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে এবং জরুরীভিত্তিতে চিকিৎসার আওতায় আসে।

করোনা ভাইরাস কিভাবে ছড়ায়ঃ-

করোনায় আক্রান্ত একজন মানুষ সক্রিয়ভাবে এই রোগ অন্যের মাঝে ছড়ায়। এজন্য বিশেষজ্ঞরা নির্দেশ দিয়ে থাকেন অসুস্থ রোগীকে সুস্থ মানুষের সংস্পর্শ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা করে যেন হাসপাতাল অথবা বাড়িতে রাখা হয় যতক্ষণ পর্যন্ত না তারা সুস্থ হয় এবং অন্যের মাঝে এই ভাইরাস ছড়িয়ে দেওয়ার আশঙ্কামুক্ত না হয়।

 

করোনা ভাইরাস ছড়ানোর সবচেয়ে সোজা মাধ্যম হলো পূর্ব থেকেই করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি। আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে যে বা যারা আসবে তাদের করোনা আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা শতভাগ বলা যায়। করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি মানেই যে তার শরীরে করোনার উপসর্গ গুলো যে প্রকাশ পাবে এমনটা নয়। অনেক ক্ষেত্রেই আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে কোন উপসর্গ দেখা নাও যেতে পারে।সুতরাং করোনা ভাইরাস এর লক্ষণ দেখে সেই রোগীর থেকে দূরে সরে থেকে আপনি এই ভাইরাস থেকে মুক্ত থাকবেন ,এমনটা ভাবলে আপনি সর্বনাশের পথে আছেন।

covid

সোজা ভাষায় বললে ভেরিয়েন্ট বা রুপ পাল্টাতে পাল্টাতে করোনা ভাইরাস এখন কিছুটা নীরব ঘাতকের ভুমিকায় অবতীর্ন হয়েছে।বুঝার উপায় নেই আপনার পাশেই দাঁড়িয়ে থাকা ব্যক্তিটির মধ্যে করোনা ভাইরাস আছে কি না। শুধুমাত্র করোনা টেষ্ট করেই এটা নিশ্চিত হওয়া সম্ভব।
এরকম আক্রান্ত ব্যক্তি যার মধ্যে করোনার কোন উপসর্গ প্রকাশ পায়নি ,করোনা ছড়ানোর ক্ষেত্রে এমন ব্যক্তিরা একেকটা হটস্পট।খুব স্বাভাবিক চলাফেরা করার ফলে এরা সবার সাথে সহজেই মিশে যায় ,এভাবে যত মানুষের সংস্পর্শে আসতে থাকে ততই জ্যামিতিক হারে করোনা ভাইরাস ছড়াতে থাকে।
নিজের শ্বাস প্রশ্বাসের মাধ্যমে কখনো নিজের হাতের স্পর্শে নিজের অজান্তে অগনিত মানুষের মধ্যে সংক্রমন ছড়িয়ে দিচ্ছে,অথচ কেউ জানতেও পারছে না।কিছু ক্ষেত্রে জন্তু জানোয়ারের কথা আসলেও আসলে করোনা ভাইরাস ছড়ানোর জন্য মানুষ মুখ্য ভুমিকা পালন করছে।

 

করোনা ভাইরাস প্রতিকারঃ-

এখনও পর্যন্ত করোনা ভাইরাস প্রতিকার করার সবচেয়ে গ্রহনযোগ্য উপায় হল করোনার ভ্যাকসিন নেওয়া।তবে যেহেতু এখনো বিশ্ববাসীর হাতে পর্যাপ্ত পরিমানে টিকা নেই তাই একটা শংকা থেকেই যায়।তাই বলে তো আর করোনার কাছে নিজেদের সপে দেওয়া যায় না।

 

কোনভাবে আক্রান্ত হয়ে গেলে বা কোন উপসর্গ টের পেলে যত দ্রুত সম্ভব নিজেকে অন্য সবার কাছ থেকে আলাদা করে ফেলুন।অর্থাত সেলফ আইসোলেশন থেকে যান এবং যত দ্রুত ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে হবে।স্থানীয়ভাবে ডাক্তার/বিশেষজ্ঞরা বিশেষ ব্যবস্থায় আক্রাক্ত ব্যক্তির চিকিতসা সেবা প্রদান করছে।

covid-19 vaccine

এসব ক্ষেত্রে চিকিতসা বলতে রোগীর শ্বাস প্রশ্বাস পর্যবেক্ষন করে তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।অক্সিজেনের সরবরাহ নিশ্চিত করে আইসোলেশন পুর্ন করতে পারলে আক্রান্ত ব্যক্তি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে যাবে।নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার ও পর্যাপ্ত ভিটামিন সি খাওয়াতে হবে।অবশ্যই ডাক্তারের নির্দেশিত ব্যবস্থা পত্র কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।

 

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধঃ-

এইসময় সবচেয়ে যে কাজটি করলে ভাল হয় সেটা হলো, দৈনন্দিন কাজগুলোকে নিয়মের মধ্যে এনে আয়ত্ত করে ফেলা। নিজের নিরাপত্তার জন্য কিছু জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করা। নিয়মিত হাত ধোয়া, কারো কাছাকাছি যাওয়া থেকে বিরত থাকা, কাঁশি বা হাঁচি হলে রুমাল দিয়ে ঢেকে অথবা কনুই দিয়ে ঢেকে হাঁচি দেওয়া, ঘরবাড়ি পরিষ্কার রাখা । এই ভাইরাসের আক্রমণ থেকে নিজেকে প্রতিহত করার সর্বোৎকৃষ্ট উপায় হলো বাসার বাহিরে বের না হওয়া, ঘরে থাকা।

 

আক্রান্ত হয়ে বাচার উপায় খোজার চেয়ে ব্যক্তি পর্যায়ে সচেতনতা পারে আমাদের করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ করতে।সুতরাং করোনা প্রতিকারের চেষ্টা যাতে না করতে হয় সেজন্য সাধারন স্বাস্থ্যবিধি মেনে এই করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ করাই শ্রেয়।

 

তবে, বিশেষজ্ঞ দের পরামর্শ অনুযায়ী, মানুষের হাতের স্পর্শ পড়ে এমন কিছু ধরা বা ছোয়া থেকে বিরত থাকা, অন্য মানুষের সংস্পর্শে না আসা, নিজেকে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা, নিজের অপরিস্কার হাত মুখ, চোখে স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকা,হাঁচি / কাশির সময় টিস্যু বা কনুই দিয়ে নাক ও মুখ ঢেকে রাখা।
অন্য মানুষদের কাছ থেকে নূন্যতম ৩ ফুট দুরত্ব বজায় রাখা। হ্যান্ডশেক বা কোলাকুলি করা থেকে বিরত থাকা।

করোনা ভাইরাস এর লক্ষণ

সম্ভব হলে কিছু সময় পরপর লিকুইড স্যানিটাইজার বা সাবান দিয়ে ২০ সেকেন্ড সময় নিয়ে হাত ধোয়া।সংক্রমণ এবং এর লক্ষন সমুহ বিবেচনা করে সরকারের উদ্দ্যেগে যে সামাজিক বিচ্ছিন্নকরন কর্মসুচি নেওয়া হয়েছে সেটাকে একজন দ্বায়িত্ববান নাগরিক হিসাবে বাস্তবায়ন করা।
যা করোনা  বিস্তার রোধে বিশেষ অবদান রাখতে পারে।
বিশেষ করে যেকোনো অবস্থায় শারীরিক দুরত্ব বজায় রাখার মাধ্যমে নিজেকে নিরাপদ এবং দেশকে সুরক্ষিত রাখা সকলের দায়িত্ব।আপাত দৃষ্টি তে এই মুহুর্তে বিশ্ব থেকে করোনা ভাইরাস নির্মুল হওয়ার তেমন কোন সম্ভাবনা নেই।তাছাড়া কার্যকরী ভ্যাকসিন তৈরিতে এখনো আশানুরূপ কোন ফল পাওয়া যায় নি।
কবে নাগাদ কার্যকর ভ্যাকসিন সকলের হাতে তুুুলে দেেওয়া সম্ভব হবে,এব্যাপারে এখনো কেউ নিশ্চিত নয়।সুতরাং এই মুহূর্তে করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে হলে নিজেই নিজের সুরক্ষার দায়িত্ব নিতে হবে।

করোনা আক্রান্ত হলে কিভাবে চিকিৎসা করবেন?

যদি আপনি নিশ্চিত হয়ে যান যে আপনি করোনা আক্রান্ত হয়ে গেছেন। তাহলে ভয় না পেয়ে সর্বপ্রথম অন্য সকলের কাছ থেকে নিজেকে আলাদা করে নিন।
অনেকে করোনা আক্রান্ত হলে কিভাবে চিকিৎসা করাবেন তা নিয়ে অনেক দ্বিধা দ্বন্দে ভুগতে থাকেন।পরিস্থিতি এমন যে এখন কোন ব্যক্তি করোনা আক্রান্ত হলে লজ্জায় বা সংকোচে অন্য কারো কাছে প্রকাশ করতে চান না।আবার ডাক্তারের কাছে গেলে কোয়ারিন্টিনে পাঠিয়ে দিবে অথবা পিসিআর টেষ্ট করতে বললে এই ভয়ে অনেকে ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে ভয় পাচ্ছেন।এমতাবস্থায় খুব জটিল কোন শারীরিক অসুবিধা দেখা না দিলে যে কেউ নিম্নোক্ত চিকিৎসা পদ্ধতি মেনে ১৪ দিন আলাদা থাকতে পারেন তাতে আপনি ,আপনার পরিবার ,সমাজ,রাষ্ট্র সবাই বেচে যাবে।

পরিবারের অন্য সদস্যদের নিরাপত্তার কথা ভেবে সংক্রমন এড়ানোর চেষ্টা করতে হবে। আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে যে আপনার দ্বারা যেন কোনভাবেই সংক্রমণ ছড়িয়ে না পড়ে।
করোনা ভাইরাস এর লক্ষণ গুলো প্রকাশ পাবার পর যখন আপনি নিশ্চিত হলেন যে আপনি করোনায় আক্রান্ত সেই মুহুর্তে আপনার শারীরিক অবস্থার উপর নির্ভর করবে আপনি হোম আইসোলশনে থাকবেন নাকি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে হবে।

 

করোনার সাধারন উপসর্গ যেমন, সর্দি, জ্বর, গা ব্যথা, গলা ব্যথার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে হাসপাতাল বা ক্লিনিকে না গিয়ে আপনি আলাদাভাবে বাসায় থেকে কিছু সাধারন চিকিৎসা পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারেন।
কিন্তু উপরোক্ত উপসর্গ গুলো ছাড়াও যদি আপনার শ্বাস কস্ট দেখা দেয়, তাহলে অবশ্যই আপনাকে ডাক্তার এবং অক্সিজেনের ব্যবস্থা আছে এমন কোথাও স্থানান্তরিত করতে হবে।
যদি করোনার সাধারন উপসর্গ ছাড়া আর কোন সমস্যা দেখা না যায় অর্থাৎ রোগীর শ্বাস কস্টজনিত সমস্যা না দেখা যায় তাহলে বাড়িতে অবস্থান করায় শ্রেয় হবে।
এ অবস্থায় আপনি নির্দ্বিধায় জাতীয় কল সেন্টার বা করোনা বিষয়ক কল সেন্টারে ফোন করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহন করতে পারেন,
করোনা বিষয়ক কল সেন্টার নাম্বার সমুহঃ
৩৩৩-১-২-৩
১৬২৬৩
১০৬৫৫
০৯৬৬৬৭৭৭২২২
০৯৬৬৬৮৮৮৮৮৮
করোনা আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসা পদ্ধতি এবং করোনা বিষয়ক যেকোন কিছু জানার থাকলে নির্দ্বিধায় উপরোক্ত কল সেন্টার নাম্বার গুলোর যেকোনো একটিতে কল করে জেনে নিতে পারেন।
তবে,করোনা আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসা সেবার প্রথম ধাপে রোগীকে প্রচুর বিশ্রাম এবং পুষ্টিকর খাবার দিতে হবে।নিয়মিত খাবারের পাশাপাশি পুষ্টিকর ও ভিটামিন জাতীয় খাবার বিশেষ করে ভিটামিন সি এবং ডি খাওয়াতে হবে।

করোনা ভাইরাস

যতবেশী সম্ভব গরম পানি দিয়ে গড়্গড়া করতে হবে।নিয়মিত ভাবে ফুটন্ত গরম পানি থেকে উঠে আসা ভাব নাক দিয়ে টেনে নেয়ার অভ্যাস করতে হবে।

করোনা ভাইরাস

নিয়মিত আদা দিয়ে বানানো লাল চা খেতে হবে।জ্বর বেশী হলে সাধারন প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ খেতে হবে।জ্বর ১০০ ডিগ্রীর বেশী হলে সাবজিটরী ব্যবহার করা যেতে পারে।

করোনা ভাইরাস এর লক্ষণ

সর্দ্বিজনিত সমস্যা এড়ানোর জন্য যেকোন এন্টি হিস্টামিন খাওয়ানো যেতে পারে।সর্দ্বির তীব্রতা অনুযায়ী ৬০ মিঃগ্রাঃ বা ১২০ মিঃগ্রাঃ অথবা ১৮০ মিঃগ্রাঃ খাওয়াতে হবে।

করোনা ভাইরাস

যেকোন জিংক ট্যাবলেট ২০ মিঃগ্রাঃ অথবা ৬০ মিঃগ্রাঃ খাওয়ানো যেতে পারে।এছাড়াও প্রতিনিয়ত রোগীকে বেশী করে পানি বা তরল জাতীয় খাবার খাওয়াতে হবে।

 

পরিশেষেঃ-

তাই, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নিজেদের মানিয়ে চলার অভ্যাস করাটা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে দূরে থাকা,অন্য মানুষ স্পর্শ করে এমন জিনিষ স্পর্শ না করা , হাচি বা কাশি দেওয়ার সময় টিসু না হাতের কনুই ব্যবহার করা,কিছু সময় বিরতিতে সাবান দিয়ে ২০ সেকেন্ড ধরে হাত জীবানুমুক্ত করা এবং সর্বোপরি করোনা ভাইরাস এর লক্ষণ প্রকাশ পেলে নিজেকে অনুদের থেকে সরিয়ে নিয়ে সরাসরি ডাক্তারের শরনাপন্ন হওয়া।আশা করি, প্রত্যেকে নিরাপদ থাকবেন। সবার খোলা মুখের হাসি দেখার অপেক্ষায়্‌,
তথ্যসূত্র :- ইউনিসেফ

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *