এফিলিয়েট মার্কেটিং সাইট

Affiliate Marketing কি । বাংলাদেশি এফিলিয়েট মার্কেটিং সাইট গুলোর বিবরন

অনলাইন ইনকাম এফিলিয়েট মার্কেটিং
এফিলিয়েট মার্কেটিং সাইট থেকে আয় করার ধারনা আমাদের জন্য একেবারে নতুন হলেও এটি অত্যন্ত কার্যকরী ও সহজ মাধ্যম।
ডিজিটালাইজেশনের যুগে পণ্য বেচাকানার অন্যতম মাধ্যম হলো অনলাইন ইকমার্স প্লাটফর্ম।
তবে ব্যবসাটা শুধু ক্রেতা বিক্রেতার মাঝেই হয় না, এর মধ্যে থাকে তৃতীয় কোন পক্ষ।
নতুনদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং এর গাইডলাইন
তৃতীয় পক্ষের কাজ হলো এফিলিয়েট মার্কেটিং সাইট থেকে এফিলিয়েট লিংক কালেক্ট করে নিজের ব্লগ, সাইট বা সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই লিংক প্রমোট করা।
Instagram থেকে কিভাবে টাকা আয় করবেন?
কোন ক্রেতা যদি তার শেয়ার করা লিংক থেকে সরাসরি পণ্য বা ডিজিটাল পণ্যটি ক্রয় করে তাহলে তার লভ্যাংশ শেয়ারকারী পাবেন।
অনলাইনে ইনকাম করে বিকাশে পেমেন্ট পেলে কেমন হয়?
নামী দামী বিশ্বস্ত কোন ইকমার্স প্রতিষ্ঠানের পণ্য যদি কোন ক্রেতা এফিলিয়েট লিংকের মাধ্যমে কিনে তাহলে সেই পণ্যের একটি নির্দিষ্ট অংশ পাবে লিংকশেয়ারকারী তৃতীয় পক্ষ।
এটাই হচ্ছে এফিলিয়েট মার্কেটিং এর মূলমন্ত্র।
অনলাইন থেকে ইনকাম করার সহজ উপায় গুলো জেনে নিন

এফিলিয়েট মার্কেটিং (affiliate marketing) কি

খুব সহজ ভাষায় বলতে গেলে বিশ্বের প্রায় প্রতিটি বড় বড় ইকমার্স প্রতিষ্ঠান বা বিভিন্ন সার্ভিস বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানের ব্যবসার সাথে এফিলিয়েট প্রোগ্রাম জুড়ে দেওয়া থাকে।

এফিলিয়েট মার্কেটিং সাইট

এফিলিয়েট মার্কেটিং এর দ্বারা যে কেউ সেই প্রতিষ্টানের পণ্য বা সেবা বিক্রির অনুমতি পেয়ে থাকে।
অনলাইনে এমন অনেক এফিলিয়েট মার্কেটিং সাইট আছে, যারা কেউ ফিজিক্যাল প্রোডাক্ট আবার কেউ ডিজিটাল প্রোডাক্ট বিক্রি করে থাকে।
Google adsence নামক সোনার হরিন পেতে জেনে নিন কি করতে হবে
এই প্রতিষ্ঠান গুলো কিছু নীতিমালার আওতায় এফিলিয়েট প্রোগ্রামে অংশগ্রহণের সুযোগ দিয়ে থাকে।
আপনি কোন প্রতিষ্ঠানের এফিলিয়েট প্রোগ্রামে অংশ নিলে চাইলে কিছু প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে।
সঠিকভাবে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর আপনার পছন্দের পণ্য বাছাই করার পালা।
কিভাবে ইউটিউব চ্যানেলে এডসেন্স পাওয়া যায়, জেনে নিন
প্রোডাক্ট বাছাইয়ের পর প্রতিটি প্রোডাক্টের এফিলিয়েট লিংক সরবরাহ করা হয়।
আপনার কাজ হলো সেই লিংকগুলো বিভিন্ন উপায়ে অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া।
আপনার দেওয়া লিংক থেকে যদি কোন ক্রেতা পণ্য বা সেবা কিনে থাকে তাহলে তার একটা নির্দিষ্ট লভ্যাংশ আপনার নামে জমা হতে থাকবে।
কিভাবে নিজের একটি ইউটিউব চ্যানেল বানাবেন?
বিশ্বব্যাপি এখন এফিলিয়েট মার্কেটিং এর ধারনাটি দারুনভাবে জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।
নিজস্ব ব্লগ বা মিডিয়া বা সোশ্যাল অডিয়েন্সকে কাজে লাগিয়ে যে কেউ এফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করতে পারে।

 

এফিলিয়েট মার্কেটিং সাইট থেকে টাকা আয় করার উপায়

আমরা যদি এখানে আমাজন এসোসিয়েট প্রোগ্রামকে উদাহরন হিসাবে ধরে নিই।
আর এটাকে সামনে রেখে এফিলিয়েট মার্কেটিং এর কার্য পদ্ধতি নিয়ে ধাপে ধাপে আলোচনা করি তাহলে বিষয়টি বুঝতে সহজ হবে।
এজন্য প্রথমেই আপনার পছন্দ অনুযায়ী এফিলিয়েট মার্কেটিং সাইট বেছে নিতে হবে।
প্রসঙ্গত বলতে হয়, পেমেন্ট ও ডেলিভারী সংক্রান্ত জটিলতা ও দেশীয় আইনের বাধায় আন্তর্জাতিক মানের সাইট যেমন আমাজন, ইবে, ফ্লিপকার্ট, আলিবাবা বা এই ধরনের নামকরা প্রতিষ্ঠানের এফিলিয়েট প্রোগ্রামে বাংলাদেশ থেকে অংশ নেওয়া অনেক কঠিন।
ইউটিউবে ভিডিও বানিয়ে টাকা আয় করার কৌশল
তবে মোটেও অসম্ভব নয়, এ ধরনের আন্তর্জাতিক মানের ওয়েবসাইটের এফিলিয়েট প্রোগ্রামে অংশ নিয়ে অনেকেই স্বাবলম্বী হয়েছে।
তাই আজকের আলোচনায় আমরা কিছু বিশ্বখ্যাত ব্যাপক সাড়া জাগানো এফিলিয়েট প্রোগ্রাম সম্পর্কে ধারনা নেওয়ার চেষ্টা করবো।
তবে তার আগে এফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে টাকা আয় করার প্রক্রিয়াটি সঠিকভাবে জানার চেষ্টা করবো।
আপনার যদি একটি ব্লগ থাকে বা একটি ইউটিউব চ্যানেল অথবা সোশাল মিডিয়ায় একটি জনপ্রিয় পেজ থাকে আর আপনার সেই সাইট, চ্যানেল বা পেজের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভিজিটর থাকে,  তাহলে আপনি সহজেই এফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে টাকা আয় শুরু করতে পারবেন।
সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুক থেকে টাকা ইনকাম করার উপায়
প্রথমেই ঠিক করুন আপনি কি ধরনের পণ্য বা সার্ভিস বিক্রি করতে চান। ঠিক সেই অনুযায়ী আপনার ব্লগ বা চ্যানেল বা পেজের কনটেন্ট গুলো সাজিয়ে নিন।
যদি আপনি ইলেকট্রনিক পনয় বিক্রি করতে চান তাহলে আপনার পছন্দের পণ্যটি নিয়ে তথ্যমূলক আর্টিকেল, ভিডিও বা পোষ্ট তৈরি করুন। যা আপনার টার্গেট অডিয়েন্সকে আকর্ষণ করবে।
এবার আপনি যেই পণ্য বা সার্ভিস বিক্রির পরিকল্পনা করছেন, সেই পণ্য বা সার্ভিস গুলো বিক্রি করে এমন বিশ্বস্ত সাইট বাছাই করুন।
তাদের এফিলিয়েট মার্কেটিং এর নীতিমালা অনুসরন করে তাদের প্রোগ্রামে যুক্ত হোন।
আপনার পছন্দের পণ্য বা সার্ভিস গুলো বাছাই করুন এবং সেগুলোর জন্য নির্ধারিত লিংক সংগ্রহ করুন।
এবার ক্যাটাগরি অনুযায়ী এফিলিয়েট সাইট থেকে পাওয়া প্রোডাক্টের লিংক গুলো আপনার ব্লগ, চ্যানেল বা পেজের প্রাসঙ্গিক কনটেন্টে বসিয়ে দিন।
ধরুন আপনার আর্টিকেল লেখা আছে ক্যামেরা সম্পর্কিত, তাহলে আপনি সেখানে অবশ্যই একটি ক্যামেরার এফিলিয়েট লিংকটাই বসাবেন।
তাহলে আপনার ক্যামেরা সম্পর্কিত তথ্য জানতে আসা ভিজিটর আপনার দেওয়া ক্যামেরার লিংক থেকে পণ্যটি ক্রয় করার সুযোগ পাবে।
ভিজিটর যখন আপনার লেখা আর্টিকেলে উদ্বুদ্ধ হয়ে আপনার দেওয়া এফিলিয়েট লিংক থেকে ক্যামরাটি কিনবে তখন সেই ক্যামেরা বিক্রির লভ্যাংশ আপনার একাউন্টে জমা হবে।
বাংলায় ব্লগ লিখে ইনকাম করার উপায়গুলো
ব্যস খুব সহজ ভাষায় এটাই হলো এফিলিয়েট মার্কেটিং এর উদাহরণ।
আগেও বলেছি বাংলাদেশে বসে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সাথে এফিলিয়েট মার্কেটিং এ যুক্ত হয়ে টাকা আয় করা অত্যন্ত কঠিল।
পরিপূর্ণ ইংরেজি দক্ষতা এবং টেকনিক্যাল জ্ঞান না থাকলে এটা ওতো সহজ নয়।
তবে আশার কথা হলো, সম্প্রতি বাংলাদেশি এমন অনেক এফিলিয়েট মার্কেটিং সাইট গড়ে উঠেছে।
সামান্য কিছু রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আপনি এসব সাইটের পণ্য বা সার্ভিস এফিলিয়েট প্রোগ্রামের মাধ্যমে আপনার ব্লগ, চ্যানেল বা পেজের মাধ্যমে বিক্রি করতে পারবেন।

বিশ্বখ্যাত কিছু এফিলিয়েট মার্কেটিং সাইট এর বিবরণ

জনপ্রিয় এবং বিশ্ব বিখ্যাত বেশীর ভাগ ইকমার্স সাইট গুলো এফিলিয়েট প্রোগ্রাম চালু রেখেছে।

এফিলিয়েট মার্কেটিং সাইট

এদের সাথে সম্নদ্ধ বিপনন এর মাধ্যমে এই খাত থেকে অনেক মোটা অংকের টাকা রোজগার করা সম্ভব।
কিন্তু এখানে দুইটা কথা আছে। এক নম্বর হলো, আপনার সাইট বা কনটেন্ট যদি আন্তর্জাতিক ভাষা মানে ইংরেজিতে হয় তাহলে আপনি যেকোন স্থানে বসে এফিলিয়েট লিংক বিপনন করে মোটা অংকের টাকা আয় করতে পারবেন।
অনলাইনে ইনকাম করে যদি বিকাশে পেমেন্ট পাওয়া যেত!!! জেনে নিন সহজ উপায়
দ্বিতীয়ত, আপনার ব্লগ বা কন্টেন্ট যদি বাংলায় হয় আর আপনার টার্গেট অডিয়েন্স যদি বাংলাদেশ হয়ে থাকে তাহলে আন্তর্জাতিক ইকমার্স সাইট যেমন, আমাজন, ইবে, আলিবাবা, ফ্লিপকার্ট জাতীয় ইকমার্স সাইটের এফিলিয়েট প্রোগ্রামে যুক্ত হয়ে খুব একটা সুবিধা করতে পারবেন না।
এর প্রধান কারন হলো এসব সাইট থেকে প্রোডাক্ট কিনে ক্রেডিট কার্ডে পেমেন্ট করার লোকের সংখ্যা আমাদের দেশে খুবই কম।
এবার আপনিই ঠিক করুন আপনি কি করবেন। তাই বলে আমি বলছি না যে, আপনি বাংলাদেশে বসে এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারবেন না।
অবশ্যই পারবেন, ইদানিং আমাদের কিছু দেশীয় নামকরা ওয়েবসাইট তাদের ডিজিটাল প্রোডাক্ট কিংবা সার্ভিস বা ফিজিক্যাল প্রোডাক্ট affiliate marketing এর বিক্রি করার সুযোগ দেয়।
এদের কমিশন রেটও অনেক ভালো। ডেলেভারী নিয়ে কোন টেনশান নেই। আবার কমিশনের টাকা তোলা যাবে বিকাশ বা রকেটের মাধ্যমে।
তাহলে আর দেরী কেন? আমরা অবশ্যই বাংলাদেশের বিখ্যাত এফিলিয়েট প্রোগ্রাম গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো।
তবে তার আগে আসুন কিছু বিশ্ব বিখ্যাত এফিলিয়েট প্রোগ্রাম গুলোর দিকে চোখ বুলিয়ে নিই।

 

Flipkart affiliate program

ফ্লিপকার্য় ইন্ডিয়ার অনেক নাম করা এবং জনপ্রিয় একটি online shopping website .
এখানে ফ্রীতেই এফিলিয়েট হিসেবে রেজিস্টার করে যে কেউ বিভিন্ন রকমের দামি কমদামি জিনিস ভালো commission এ বিক্রি করতে পারবেন।

 

Amazon affiliate program

ভারতের e-commerce ব্যবসাতে আমাজন amazon সবচেয়ে প্রসিদ্ধ।
আমাজনের মতো এতো বিখ্যাত অনলাইন শপিং স্টোরেও আপনি affiliate হিসেবে রেজিস্টার করে বিভিন্ন রকমের product এফিলিয়েট লিংকের মাধ্যমে ভালো কমিশনে বিক্রি করতে পারবেন।

 

Go daddy  (domain & hosting)

যদি আপনার ব্লগ বা ইউটিউবের চ্যানেল blogging এবং hosting বিষয়ক হয়,  তাহলে Go Daddy তে একজন এফিলিয়েট হিসেবে নিজেকে রেজিস্টার করুন এবং অনেক হাই কমিশনে ডোমেইন এবং হোস্টিং বিক্রি করুন।
বিশ্বব্যাপি ডোমেইন এবং হোস্টিং এর জন্য অনেক বিখ্যাত অনলাইন কোম্পানি হলো Go daddy.

 

Hostgator affiliate network

hostgator ডোমেইন এবং হোস্টিং এর মার্কেটে অনেক নাম করা কোম্পানি।
আপনি যদি ডোমেইন বা হোস্টিং নিশ নিয়ে কাজ করেন, তাহলে hostgator থেকে আপনি মোটা অংকের টাকা রোজগার করতে পারবেন।
এখানে আপনি কেবল একটি বিক্রিতেই প্রায় ৩০০০ টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারবেন।

 

Ebay affiliate program

আপনারা হয়তো ebay নামক বিখ্যাত ইকমার্স ওয়েবসাইটের কথা শুনে থাকবেন।
ebay একটি অনলাইন শপিং সাইট যারা বিশ্বের যেকোন প্রান্তে নিজের প্রোডাক্ট ডেলিভার করে।
আপনি যে দেশে বসবাস করেন না কেন, ebay এফিলিয়েট প্রোগ্রামের মাধ্যমে আপনি product মার্কেটিং করে ভালো commission পকেটে ভরতে পারবেন।

 

দেশী এফিলিয়েট প্রোগ্রাম

নানা জটিলতার কারনে আন্তর্জাতিক এফিলিয়েট প্রোগ্রাম গুলো থেকে সকলের পক্ষে ভালো করা সম্ভব নাও হতে পারে।
সেজন্য আজকের আলোচনার আমরা কিছু দেশী এফিলিয়েট মার্কেটিং সাইট সম্পর্কে বিশদভাবে জানবো।
যেগুলো থেকে যে কেউ অনায়াসে টাকা ইনকাম করতে পারবে। যা তুলনামূলক অনেক সহজ।
সহজ এজন্য বললাম, কারন দেশী কোন ওয়েবসাইটে এফিলিয়েট প্রোগ্রামে যুক্ত থাকলে আপনি পন্য ডেলিভারি এবং পেমেন্ট নিয়ে নিশ্চিন্তে থাকতে পারবেন।
আপনার ক্রেতা সময়মতো পন্য হাতে পাবে আর আপনিও সময়মতো কমিশনের টাকা বুঝে নিতে পারবেন।
কারন বেশীর ভাগ দেশী এফিলিয়েট প্রোগ্রাম গুলোর কমিশনের টাকা বিকাশ, নগদ বা রকেটে পরিশোধ করা হয়।

 

বাংলাদেশী এফিলিয়েট মার্কেটিং সাইট

প্রতিষ্ঠান বা সাইট বাংলাদেশী হোক বা আমেরিকান বা চায়না প্রসেস কিন্তু প্রায় একই।
সমস্যা হলো কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত জটিলতার কারনে বাংলাদেশে বসে আন্তর্জাতিক কোন প্রতিষ্ঠানের সাথে আর্থিক লেনদেন এ জটিলতায় পড়তে হয়।
অপরদিকে বাংলাদেশী এফিলিয়েট মার্কেটিং সাইট গুলোতে কাজ করলে ডেলিভারি, পেমেন্ট নিয়ে কোন দুঃশ্চিন্তা করতে হয় না।
বাংলাদেধের দারাজ, বিডিশপ, বিকাশ এফিলিয়েট, এক্সনহোস্ট ছাড়াও আরোও অনেক প্রতিষ্ঠান এফিলিয়েট প্রোগ্রাম এ যুক্ত হওয়ার সুযোগ দিয়ে থাকে।

 

দারাজ এফিলিয়েট

দেশের বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় অনলাইন ই-কমার্স প্লাটফর্ম হচ্ছে daraz.
দারাজ এর এফিলিয়েট প্রোগ্রাম রয়েছে। যেকেউ দারাজ এর বিভিন্ন পণ্যের এফিলিয়েট মার্কেটিং করে টাকা আয় করতে পারে।
দারাজ অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামে প্রায় অধিকাংশ দারাজ প্রোডাক্ট ই অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
দারাজ এর প্রোডাক্ট ক্যাটালগ কত বিশাল তা সবার জানা আছে। এর মানে হলো দারাজ অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম থেকে আয়ের অধিক সুযোগ রয়েছে।
ব্লগ, ইউটিউব চ্যানেল বা ফেসবুক পেজে দারাজের প্রোডাক্টের এফিলিয়েট মার্কেটিং করে সেল থেকে কমিশন পাওয়া যাবে।
Daraz এর এফিলিয়েট প্রোগ্রামে অংশ নিতে সরাসরি এই লিংক থেকে সাইন আপ করতে পারবেন।

 

বিডি শপ অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম

আপনার YouTube চ্যানেল বা আপনার যদি একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ সাইট থাকে বা আপনার যদি একটি জনপ্রিয় একটি Facebook পেজ থাকে, তাহলে বিডিশপ আপনার জন্য দুর্দান্ত একটা সুযোগ দিয়েছে।
বিডিশপ মূলত একটি বিভিন্ন টেকনোলজি ও গ্যাজেট জাতীয় পণ্যের বিশাল একটি ইকমার্স ওয়েবসাইট। এখানে বিভিন্ন ব্রান্ডের আসল প্রোডাক্ট পাওয়া যায়। এছাড়াও বিভিন্ন ফ্যাশন, স্বাস্থ্য সংক্রান্ত প্রোডাক্ট পাওয়া যায়।
যারা টেক ব্লগে কাজ করেন কিংবা মডার্ন টেকনোলজি নিয়ে এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে চান তাদের জন্য বিডিশপ বেস্ট চয়েস।
বিডি শপের এফিলিয়েট প্রোগ্রামে যুক্ত হয়ে আপনার চ্যানেল, ব্লগ বা পেজে প্রোডাক্টের লিংক শেয়ার করে মোটা টাকা আয় করতে পারেন।
গ্রাহক আপনার কাস্টম লিংক থেকে পণ্য কিনলে আপনি একটি মোটা পরিমাণ কমিশন উপার্জন করতে পারেন।
বিডিশপ ডিজিটাল মার্কেটারদের জন্য একটি সহজ কিন্তু শক্তিশালী এবং সহজে বোঝার জন্য অ্যাফিলিয়েট মডেল তৈরি করেছে।
এখানে আপনি প্রোডাক্টের ধরন ভেদে প্রতিটি সেলে ৩% থেকে ৭% পর্যন্ত কমিশন পেতে পারেন।
সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো কমিশন থেকে আপনার প্রাপ্য অংশের টাকা সপ্তাহান্তে দেশীয় পেমেন্ট সিস্টেম যেমন বিকাশ বা নগদ বা রকেটে ট্রান্সফার করে নিতে পারবেন।
আরও জানার জন্য দেখুন বিডিশপ এফিলিয়েট প্রোগ্রাম।

Exonhost এফিলিয়েট প্রোগ্রাম

যাদের ব্লগে ডোমেইন, হোস্টিং সম্পর্কিত কনটেন্ট তারা এই দেশী হোস্টিং কোম্পানীর এফিলিয়েট প্রোগ্রামে অংশ নিলে ভালো লাভবান হতে পারবে।
কারন এক্সনহোস্টে প্রতি সেলে ২০% পর্যন্ত কমিশন পাওয়া যেতে পারে।
সেক্ষেত্রে মাস শেষে কয়েকটি সেল আসলেও মোটামুটি অংকের কিছু টাকা ইনকাম হতে থাকবে।
এক্সনহোস্টের affiliate program এ অংশ নিতে চাইলে লিংক থেকে সরাসরি রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন।

 

পরিশেষে

বর্তমান সময়ে অনলাইন থেকে ইনকাম করার সবচেয়ে সহজ এবং কার্যকরী পদ্ধতি গুলোর মধ্যে এফিলিয়েট মার্কেটিং অনেক বেশী জনপ্রিয়।
এর মধ্যে দেশীয় এফিলিয়েট মার্কেটিং সাইট গুলো থেকে টাকা আয় করা আরোও সহজ।

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published.