কিভাবে ডিআইজি হওয়া যায়

ডিআইজি মানে কি? কিভাবে ডিআইজি হওয়া যায় 

শিক্ষা ও চাকুরী

পুলিশে ডিআইজি অফিসার পদের কথা আপনি নিশ্চয়ই শুনেছেন, কিন্তু আপনি কি জানেন, ডিআইজি ফুল ফর্ম কী? কিভাবে ডিআইজি হওয়া যায় এবং ডিআইজি হতে কী যোগ্যতা থাকতে হবে? 

 

কিভাবে ডিআইজি হওয়া যায়

এই ধরনের সমস্ত তথ্য জানতে, এই নিবন্ধটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন

এতে আপনি ডিআইজি সম্পর্কিত অনেক দরকারী তথ্য পেতে চলেছেন, যা আপনার জন্য উপকারী প্রমাণিত হবে।কিভাবে ডিআইজি হওয়া যায় এটা যদি আপনি সঠিকভাবে জানেন তাহলে সেই মোতাবেক আপনার লক্ষ্য স্থির করতে পারবেন। 

 

ডিআইজি পূর্ণ রুপ (বাংলা) – পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক

ডিআইজি পূর্ণ রুপ (ইংরেজী) – ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ

 

ডিআইজি কি ?

ডিআইজি হল একটি রেঞ্জের দায়িত্বপ্রাপ্ত নিয়ন্ত্রনকারী কর্মকতা। মেট্রোপলিটন শহর গুলো বাদ দিয়ে সমস্ত পুলিশ বিভাগকে ৮ টি রেঞ্জে ভাগ করা হয়েছে।

প্রতিটি রেঞ্জের প্রধান দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকতা হলেন ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (ডি আই জি) যার ইউনিফর্মে তিনটি তারা রয়েছে।

চাকুরীর বিকল্প হতে পারে ফ্রিল্যান্সিং, ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার গড়তে লেখাটা পড়ুন,

ডিআইজি পদে কর্মরত কর্মকর্তা মহা পুলিশ পরিদর্শক (আইজিপি) ও যুগ্ম পুলিশ পরিদর্শক গনের অধীনে কাজ করেন।

 

ডিআইজি অফিসারের চাকরিঃ

ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল অফ পুলিqশ (ডিআইজি) বাংলাদেশ পুলিশ পরিষেবার একটি উচ্চতর অফিসার পদ, তাই ডিআইজির দায়িত্বও বেশি।

ডিআইজি পুলিশকে তার এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশ দেন এবং এলাকায় শান্তি বজায় রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেন।

 

ডিআইজি তার কাজের প্রতিবেদন পুলিশের মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) কাছে জমা দেন।

 

কিভাবে ডিআইজি হওয়া যায়? 

ডিআইজি হওয়ার জন্য আপনাকে নীচে উল্লিখিত সমস্ত প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। সরাসরি ডি আই জি পদে নিয়োগ দেওয়া হয় না।

কিভাবে ডিআইজি হওয়া যায়

সরাসরি বিসিএস দিয়ে পুলিশের এ এস পি (সহকারী পুলিশ সুপার)  পদে নিয়োগ পেতে হয়।

উল্লেখ্য, এ এস পি থেকে এডিশনাল এসপি পদে প্রমোশন পেতে ৬ বছর লাগে। এরপর ৫ বছর পর এসপি হিসাবে পদ্দোন্নতি পাবেন।  

  • প্রথমে এ এস পি বা সহকারী পুলিশ সুপার পদে নিয়োগ পেতে হবে। 
  • তারপর কর্মক্ষমতা এবং তার রেকর্ডের ভিত্তিতে পুলিশ সুপার (এসপি) পদে নিয়োগ করা হয়।
  • এরপর অভিজ্ঞতার ও কর্ম দক্ষতার ভিত্তিতে এডিশনাল ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।
  • এরপর হন ডিআইজি (পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক)।

 

কিভাবে ডিআইজি হওয়া যায় উপরে তার একটা রোডম্যাপ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। 

 

ডিআইজি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যঃ

আপনাকে ডিআইজি সম্পর্কে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বলব, যা আপনার জন্য দরকারী প্রমাণিত হবে।

 

ডিআইজি হওয়ার শিক্ষাগত যোগ্যতা:

বাংলাদেশ পুলিশের ডি আই জি হওয়ার শিক্ষাগত যোগ্যতা নূন্যতম বিসিএস পাস।

যেহেতু ডি আই জি পদে সরাসরি নিয়োগ হয় না সেহেতু বিসিএস করে এ এস পি পদে নিয়োগ পেতে হবে।

এরপর পর্যায়ক্রমে প্রমোশনের মাধ্যমে ডি আই জি হওয়া যায় এবং সর্বশেষ আই জি পর্যন্ত প্রমোশন পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

 

ডিআইজি অফিসারের বেতন 

বাংলাদেশ পুলিশের ডিআইজি অফিসারের গ্রেড হচ্ছে ৩। ৩য় গ্রেডের একজন সরকারী অফিসারের শুধুমাত্র বেতন হলো ৫৬৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ৭৪৪০০ টাকা।

এটা শুধুমাত্র মুল বেতন। এর সাথে গ্রেড অনুযায়ী সরকারী সকল সুযোগ সুবিধা যেমন, বাড়ি ভাড়া, মেডিক্যাল ইত্যাদি সুবিধা পেয়ে থাকেন। 

 

শেষ কথা

তো বন্ধুরা, আজ এই প্রবন্ধে আমরা আপনাকে বাংলা ভাষায় ডিআইজি ফুল ফর্ম সম্পর্কে বলেছি ।

আশা করি, এই লেখাটি পড়ার পর আপনি নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন যে ডিআইজি কী এবং কীভাবে ডিআইজি হওয়া যায়।

 

ডিআইজি পদটিও সরকারি চাকরির উচ্চ পদগুলির মধ্যে একটি, যা হতে হলে কঠোর পরিশ্রম করতে হয়।

বাংলাদেশ পুলিশে নিয়োগ সংক্রান্ত আরোও তথ্য জানতে বাংলাদেশ পুলিশের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।

ডিআইজি পদ সংক্রান্ত এই তথ্যটি আপনার কাছে কতটা উপকারী মনে হয়েছে, কমেন্টের মাধ্যমে জানাবেন, সেইসাথে এই লেখাটি যতটা সম্ভব শেয়ার করুন। 

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published.